যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সবকিছু আস্তে আস্তে স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আস্তে আস্তে আমরা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করবো। আপনারা যদি নিজেদের সুরক্ষিত রেখে এই সংক্রমণের হার কমাতে পারেন, মৃত্যুর হার কমাতে পারেন তাহলে আস্তে আস্তে যোগাযোগ-যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহণ আরো বৃদ্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করবো।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগের জেলা সমূহের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনের ব্যাপারে বাধা নেই। আরো কিভাবে সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। পণ্য পরিবহনের জন্য তো ট্রাক-ভ্যান লাগে। এসব কিভাবে বাড়ানো যায় সেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এখন ধান কাটার মৌসুম। কিছু কিছু ফসল উঠছে। জীবন যাপন আস্তে আস্তে উন্মুক্ত করতে হবে। সবাই নিজেকে সুরক্ষিত রেখেই কাজ করবেন। আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে সুযোগ সৃষ্টি করে দেব। পণ্য পরিবহন যেন স্বাভাবিক হয়। পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক হলে জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে মানুষের জীবন যাত্রা অব্যাহত থাকবে।

মসজিদে সীমিত আকারে নামাজ আদায় করার সিদ্ধান্তে ইমাম মুয়াজ্জিনদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘরে বসে সবাই নামাজ পড়তে পারেন। ঘরে বসে বেশি বেশি দোয়া করেন। এখন রমজান মাস, সবাই আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া করেন, করোনার হাত থেকে যেন বাংলাদেশ মুক্তি পায়, বিশ্বব্যাপী মানুষ যেন মুক্তি পায়।

কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের বেশি বেশি ফসল ফলাতে হবে। আরো উৎপাদন বাড়াতে হবে। কারণ কৃষিটাই আমাদের সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমারা নিজেরা যেমন খেতে পারবো, অন্য কোন দেশে যদি মানুষ অভুক্ত থাকে, তাদেরকেও আমরা সাহায্য করতে পারব। সেই মানসিকতা নিয়ে কাজ করবেন। সাবাই সবাইকে সাহায্য করেন।

তিনি বলেন, আশা করি এই অবস্থা থাকবে না। এই দুঃসময় আমরা কাটিয়ে উঠবো এবং আমাদের আবার শিল্প কারখানা সবই চালু হবে। আমাদের দেশের অর্থনীতি আবার সচল হবে। সেটার জন্য বিশেষভাবে কাজ করে যাব। দুর্যোগ আসে, মোকাবিলা করতে হয়, এই দুর্যোগটা তো বিশ্বব্যাপী। বিশ্বব্যাপী এই দুর্যোগ দেশের সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে অবস্থার থেকে মুক্তি পাব। চিরদিনই অন্ধকার থাকে না। আলো নিশ্চয় আসে, আমরা আবার আলোর পথে যাত্রা শুরু করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *